আবারো নিম্নচাপের আশঙ্কা!

প্রতীকী ছবি।

কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে গেল ঘুর্ণিঝড় আম্ফান। মাত্র কয়েকদিন আগেই ঝড়টি বঙ্গোপসাগরের তৈরি হওয়া নিম্নচাপ থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। আম্ফান যেতে না যেতেই আরো একটি দুঃসংবাদ দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আগামী সপ্তাহের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে আরো একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে দিল্লির আবহাওয়া অফিস। যদি নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় তা হলে তার নাম হবে গতি।

এদিকে এ বিষয়ে দিল্লির আবহাওয়া অফিসের অধিকর্তা মৃতুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা নেই। উল্টো বর্ষার আগমনে সুবিধা করে দেবে এই নিম্নচাপ। কেরালায় বর্ষণ শুরু হয়েছে গত ১ জুন থেকেই। অন্য রাজ্যের দুয়ারেও কড়া নাড়ছে বর্ষা। বঙ্গোপসাগরের ওই নিম্নচাপের হাত ধরে আগামী সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে যেতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী সোমবারের মধ্যে নিম্নচাপটি কেমন চেহারা নেবে তা আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে। ওড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গে তার জেরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই। আবহাওয়া দফতরের কর্মকর্তা গণেশকুমার দাস বলেন – নিম্নচাপটি কেমন চেহারা নিচ্ছে তা বোঝা যাবে আগামী সোমবার। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

রাজ্যে প্রায় প্রতিদিনই ঝড়বৃষ্টি লেগে রয়েছে। ঘন ঘন কালবৈশাখীও হয়ে চলেছে। শুক্রবারও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি হয়েছে। এ রাজ্যে পূর্বাঞ্চল হয়ে উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢোকার স্বাভাবিক সময় ৫ জুন। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢোকে ৮ জুন। মৌসুমি বায়ুর অন্য শাখা আন্দামান থেকে মিয়ানমার হয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল হয়ে ঢোকে উত্তরবঙ্গে।

এ বছর স্বাভাবিক হারে বর্ষার পূর্বাভাস রয়েছে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বাভাবিক হারে বৃষ্টি হবে। গড়ে ৯৬ শতাংশ থেকে ১০৪ শতাংশ বৃষ্টি হতে পারে ভারতে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের ক্ষেত্রে বৃষ্টি হতে পারে গড়ে ১০৭ শতাংশ, মধ্য ভারতে ১০৩ শতাংশ, দক্ষিণভাগে ১০২ শতাংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে ৯৬ শতাংশ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর কিছুটা ফেরফেরও হতে পারে।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত