বন্ধ ডিপিএল : শঙ্কায় পড়লো কোচ-ক্রিকেটাররা

সারাবিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস। মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ছড়িয়েছে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজারে। এই ভাইরাসের কবলে পড়ে একের পর এক ইভেন্ট স্থগিত করতে হয়েছে।

এই ভাইরাসের গ্রাস থেকে বাঁচেনি ক্রিকেটও। আইপিএল, সিপিএলসহ বাংলাদেশের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগও (ডিপিএল) স্থগিত করা হয়েছে। ডিপিএল স্থগিত হওয়ায় ঘরে বসে আছে ক্রিকেটার এবং কোচরা। ঘটা করে শুরু হওয়া ডিপিএলের প্রথম রাউন্ড শেষ হলেও দ্বিতীয় রাউন্ড নিয়ে শংসয় দেখা দিয়েছে। ঈদের আগে ডিপিএল মাঠে ফিরবে কি না তা নিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে চিন্তা দেখা দিয়েছে।

কোচ এবং খেলোয়াড়রা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে টুর্নামেন্ট সম্পুর্ণ হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহে পড়েছেন। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হেড কোচ আফতাব আহমেদ বলেন – দেশের এখন কি অবস্থা সেটি সবাই জানে। আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতেও ঘর থেকে বের হচ্ছি না। আফতাবের সাথে সুর মিলিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের সহকারী কোচ রাজিন সালেহ।

তিনি বলেন – দেশের অবস্থা এখন সবাই দেখছে। আমার মনে হয় ডিপিএল শেষ করতে এক বছর লেগে যাবে। অর্থ্যাৎ, আগামি বছর ডিপিএল শেষ হবে। এদিকে সুপার লিগের দলগুলো নিয়ে ডিপিএল টি২০ শুরু হওয়ার কথা ছিল। জানিনা ভাগ্যে কি লেখা আছে।

সালেহ আরো বলেন – টি-টোয়েন্টির ব্যাপারটা একেবারেই জিরো। তাই আমি মনে দেশের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ডিপিএলের পঞ্চাশ ওভার ম্যাচ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। খেলা কবে মাঠে গড়াবে সেটা কেউই বলতে পারবে না, তাই টি২০ টুর্নামেন্ট হওয়াটা অনেকটাই মুশকিল।

বাংলাদেশের সাবেক এই ক্রিকেটার যোগ করেন – যেহেতু ডিপিএল শুরু হয়ে গেছে তো আমি অনে করি- বোর্ড অবশ্যই এটা শেষ করতে চাইবে। শেষপর্যন্ত দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভালো হলে কিছু খেলা কমিয়ে দিয়ে হলেও ডিপিএল চালানো উচিৎ। যদি সুপার লিগ না হয়, যদি সিঙ্গেল লিগও হয় তাহলে আমার মনে হয় টুর্নামেন্টটা তাড়াতাড়ি শেষ করা যাবে।

বাংলাদেশের অনেক ক্রিকেটারের সংসার চলে এই ডিপিএল দিয়ে। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাবে ডিপিএল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা পড়েছেন শংকায়। যদি ডিপিএলের এই মৌসুম মাঠে না গড়ায়, তাহলে ক্রিকেটাররা কি করবেন? এমন প্রশ্নই বারবার সামনে আসছে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রিকেটার বলেন –  নিয়ে ম্যানেজমেন্টের সাথে বসতে হবে। তাদের সিদ্ধান্ত কি সেটা জানতে হবে। আমরা যতটুকু সম্ভব টাকার ব্যাপারে কথা বলবো। কিন্তু না দিলে আমাদেরতো কিছুই করার থাকবে না।

ঐ ক্রিকেটার আরো যোগ করেন – যদি অর্ধেক টাকাও পাওয়া যায়, তাহলে চলতে পারবো। কিন্তু যদি অর্ধেক পেমেন্টও না পাই তাহলে পুরো বছর চালানো কষ্টকর হয়ে যাবে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা সুস্থতার কথা ভাবছে। কিন্তু ডিপিএল না হলে যারা ডিপিএল খেলে সংসার চালায় তাদের বা মধ্যবিত্তদের জন্য অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।


আরো পড়ুন:

দিনের ব্রেকিং নিউজ সবার আগে পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন:facebook-button-join-group

সরকারি এবং বেসরকারি চাকুরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পেতে

facebook-button-join-group

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত