বাংলাদেশ এক্সচেঞ্জ ভিজিটে এ অংশ নিচ্ছে দুই দেশের শত তরুণ

পাশাপাশি দুইটি দেশ একি সীমা রেখায় অবস্থিত। খাদ্য-ভাষা-পোশাক আর আন্তরিকতায় যে দুইটি দেশের মিল পাওয়া যায় অনেকাংশে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পর সে দেশ হচ্ছে নেপাল। নেপালের চোখে বাংলাদেশ হোচ্ছে আইডল প্রতিবেশী। যার কাছ থেকে অনেক কিছুই শেখা যায়। আর তাই নিপালী ভ্রমণ পিয়াসী কিংবা ছাত্রছাত্রী আর ব্যবসায়ীদের এক নাম্বার পছন্দের স্থান বাংলাদেশ।ন

মুজিব বর্ষ উদযাপন ক্ষণ গণনার ঠিক পরের মুহূর্তে এমনই শত তরুণ নিয়ে বাংলাদেশ-নেপালের যৌথ বেসরকারি উদ্যোগে সুশাসন, ছাত্র-ছাত্রী, যুব, ব্যবসায়ী, পর্যটন, কোঅপারেটিভ অভিজ্ঞতা বিনিময় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আর নেপালের শত সদস্যের তরুনদের নিয়ে হচ্ছে এই এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম।

আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি ছয় দিনের সফরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ক্লিন সিটি গ্রীন সিটি কাযর্ক্রম, মাইক্রোকেডিট কার্যালয় ভিজিট, পর্যটন শিল্পকে প্রমোশনের অংশ হিসেবে কক্সবাজার ভিজিট, সেন্ট মার্টিন ভিজিট, সুশাসন ও বাংলাদেশের অংশ হিসাবে বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার সাড়া জাগানো বাংলাদেশকে দেখতে স্থানীয় সরকার বা লোকাল মিউনিসিপালিটি ভিজিট,বাংলাদেশের কৃষ্টি কালচার, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন, জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ একাধিক সেমিনারে অংশ নেবে শত তরুনদের দল।

এই প্রসঙ্গে ইয়ুথ ডেভেলভমেন্ট সেন্টার বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন ও একচেইঞ্জ প্রোগ্রামের প্রধান সমন্বয়ক আছিফ রহমান শাহীন বলেন – বাংলাদেশ থেকে নেপাল বা নেপাল থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত হলেও একান্ত ব্যক্তি কেন্দ্রীক। এই সকল ভ্রমণের কোন লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য এত দিন ছিল না। আমরাই প্রথম বেসরকারি উদ্দোগে এটাকে একচেইঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করছি।

তিনি বলেন – এটি নিছক ঘুরাঘুরি নয়। বাংলাদেশকে বর্হিঃবিশ্বে তুলে ধরা, আমাদের ওয়ার্ল্ড লং বীচ, আমাদের কৃষ্টি কালচার তুলে ধরা, আমাদের জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর মত বিশ্বনেতার সাদামাটা জীবন ও নেতৃত্বকে তুলে ধরা।আমাদের আইডিয়া শেয়ার করা ইত্যাদি তুলে ধরাই এই একচেইঞ্জ এর অংশ। এক কথায় বলা যায় বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা সুশাসন আর এশিয়ার রোল মডেল হওয়ার মুল মন্ত্র শতভাগ তুলে ধরাই এর অন্যতম লক্ষ্য।

শুধুই ভ্রমণ নয় বাংলাদেশে যে আগামীর বিশ্বের একটি বিস্ময়ের রুপ নিচ্ছে তা তুলে ধরাও এই একচেইঞ্জ প্রোগ্রাম এর অন্যতম লক্ষ্য। এক্সচেঞ্জ-ফান-লার্ন-কালচার-ব্যবস্যা এই পাঁচটি প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আমাদের একচেইঞ্জ প্রোগ্রাম এগিয়ে যাবে। যার উপকার ভোগ করবে বাংলাদেশ -নেপালের ছাত্র-ছাত্রী-সমাজকর্মী-তরুণ সমাজের প্রতিনিধি -ব্যবসায়ী উদ্দোগতা -আর প্রমোট হবে পর্যটন।

বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং নেপাল ইয়ুথ ডেভেলভমেন্ট সেন্টার যৌথ আয়োজনে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দ্বিপাক্ষিক সফর বিনিময়ের অংশ হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারীর ২২-২৩ তারিখ নেপালে যাবে বাংলাদেশের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। যেখানে তারা ৩য় নেপাল বাংলাদেশ সম্মেলনে অংশ নিবেন।

#ইকবাল হোসেন জীবন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত