এই শীতে শিশুর নিউমোনিয়া! যেভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

সারাদেশে চলছে শীতের অত্যাচার! তার সাথে দিন-রাতে তাপমাত্রার আশঙ্কাজনক পার্থক্য। মাঝারি ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। তবে এইটুকুই কম নয়, শীতে দেখা দিচ্ছে নানা রকম অসুখ-বিসুখ। আর সবথেকে বেশী আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।

এসময় শিশুরা, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা, কাশি, সর্দি, অ্যাজমাসহ নিউমোনিয়ার মত মারাত্মক অসুখে আক্রান্ত হতে পারে। আর এগুলোর সাথে ঋতুগত জ্বর। সাধারণত পুষ্টিহীনতায় ভোগা, কম ওজনের শিশুরাই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তাই শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি সতর্কতা অবলম্বন করুন।

সতর্কতাগুলো হল:-

  • লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তার ঠাণ্ডা না লাগে।

  • তাদের ধুলাবালি থেকেও দূরে রাখতে হবে।

  • শিশুকে নিয়মিত হাত ধোয়ায় অভ্যাস করান।

  • শিশু অসুস্থ হলে মায়ের বুকের দুধ দিতে হবে এবং নিয়মিত খাবার খাওয়াতে হবে।

  • খাবার তৈরি করার সময় ডায়াপার পরিবর্তন ও নাকের সর্দি মোছার পর হাত পরিষ্কার করুন।

  • সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হলে হাঁচি দেওয়ার সময় বা নাকের পানি মুছতে রুমাল বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।

  • আপনার শিশু যদি জ্বর, বমি, ডায়রিয়া ও চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত হয় তবে তাকে আশেপাশের বাচ্চাদের সংস্পর্শে যাওয়া থেকে বিরত রাখুন।

  • শিশুকে শেখাতে হবে যে সে যেন তার চোখ ও নাকে হাত না দেয়। বাচ্চা যখন চোখ ও নাকে হাত দেয় তখন তার হাত থেকে জীবাণু শরীরে ঢুকে যায়।

শিশুর অসুস্থতায় চিকিৎসা পদ্ধতি:- নিউমোনিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করা গেলে ১৫ দিনের চিকিৎসায়ই শিশু ভালো হয়ে যায়। আর ভাইরাস জনিত জ্বরও ৩ থেকে ৫ দিনেই সেরে যায়। শিশুকে জন্মের পর থেকে সবগুলো টিকা দিন।

টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও খাওয়াতে হবে। সবগুলো টিকা নিয়মিত দিলে শিশু বিভিন্ন মারাত্বক রোগ থেকে রক্ষা পায় এবং তার মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। শিশু একটানা তিন দিনের বেশি অসুস্থ থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত