অবশেষে ধর্মঘট স্থগিত, পরিবহন মালিকরা পেলেন ৭ মাস সময়

সংগৃহীত ছবি: রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা ৫০ পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

অবশেষে ধর্মঘট প্রত্যাহার করলো পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বুধবার দিবাগত রাতে সরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর এই ধর্মঘট তুলে নেয় পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সাথে ৪ ঘন্টার বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাত ৯টায় শুরু হওয়া বৈঠকটি শেষ হয় রাত ১২টা ৫০ মিনিটে। বৈঠকে পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি সাংবাদিকদের বলেন – আমরা তাদের ৯ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা করেছি। তারা ধর্মঘট তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। লাইসেন্স, ফিটনেস সনদ আপডেটের জন্য তাদের ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন – তারা (পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা) আইন সংশোধনের যে দাবি জানিয়েছেন সেটা বিবেচনার জন্য সুপারিশ আকারে আমরা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। তারা এগুলো বিবেচনা করে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করবে। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সাথে আলোচনা হয়েছে। তাদের কয়েকটি দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন – আইন সংশোধনের বিষয়ে বেশকিছু সুপারিশ সংশ্লীষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ আশ্বাসে সন্তুষ্ট হয়ে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চলাচল করবে।নতুন আইনের ১২৬টি ধারার ৯টি ধারায় তাদের আপত্তি ছিল। আইনটি ইতোমধ্যে প্রয়োগ শুরু হয়েছে। আর যে ধারাগুলো সংশোধনের দাবি এসেছে সেগুলো বিচার বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাবো।

আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন – আইনটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু অসঙ্গতি আমাদেরও রয়েছে যেমন, পার্কিং এর পর্যাপ্ত জায়গা আমরা করতে পারিনি। সেগুলোই বিবেচনা করা হবে।

এ সময় পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের পক্ষে রুস্তম আলী খান সাংবাদিকদের বলেন – আমাদের দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এ কারণে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিচ্ছি।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত