বাংলাদেশে আসছে বডিওয়ার্ন ক্যামেরা

বড়িওয়ার্ন ক্যামেরা প্রায় ২৩ বছর আগে এর আবিষ্কার হলেও বাংলাদেশে এখনো এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হয়নি। এর ব্যবহার প্রথম করেছিল নেদারল্যান্ডসের পুলিশরা। ১৯৯৭ সালে দেশটির দাঙ্গা পুলিশরা এই ক্যামেরা ব্যবহার করা শুরু করলেও। তখন এটি এতো জনপ্রিয়তা পায়নি।

তবে এর সাত-আট বছর পর ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এই ক্যামেরা ব্যবহার করা শুরু করে। এরপর এটির জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে। মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মার্কিন সেনারা যারা কাজ করেছেন, তারাও এ ক্যামেরা ব্যবহার করেন। তবে তাদের বেশিরভাগই ছিল মাথায় হেলমেটের উপর।

এই ক্যামেরা মূলত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রাথমিকভাবে বিশেষ এ ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে শরীরে লাগানো এ ক্যামেরা।

এই ক্যামেরা দিয়ে অডিও, ভিডিও, রেকর্ডিংসহ সব করা যায়। এই ক্যামেরার বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি স্বল্প আলো ও অধিক ঝাঁকিতে ভালো চিত্র ধারণ করা যায়। দূর থেকেও দৃশ্য ধারণ করা যায়। তাই অপরাধ করে কিংবা সড়ক পথে অনিয়ম করে পার পাওয়ার উপায় নেই।

মানের মধ্যে প্রকার ভেদ রয়েছে এ ক্যামেরার। দুই শ’ থেকে দুই হাজার ডলারের মধ্যে বডিওয়ার্ন ক্যামেরা পাওয়া যায়। এ ধাঁচের বহুল ব্যবহৃত ক্যামেরাটি ৬০ মেগাপিক্সেলের। যা চলতে পারে টানা আট ঘণ্টা।

বর্তমানে চীনে বিপুলভাবে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়াও স্বাস্থ্যকর্মী ও সাংবাদিকদের মাঝেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বডিওয়ার্ন ক্যামেরা।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত