সৌদি-ইরান বসতে যাচ্ছে আলোচনায়, মধ্যস্থতায় আছে ইমরান!

মুসলিম অধ্যুষিত দুই শক্তিশালী সৌদি আরব এবং ইরান আলোচনার পথে এগোচ্ছে। আর তাদের এই আলোচনার পথে হাঁটতে বাধ্য করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুই দেশই এখন আলোচনার জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে।

সৌদি-ইরানের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমটি প্রতিবেদনে বলে – গত ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর ইমরান খান সৌদি আরব সফর করলে, সেখানে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের সাথে চলতে থাকা সম্পর্কের টানাপড়েন নিষ্পত্তিতে সাহায্য করার জন্য ইমরানকে অনুরোধ করেন। যুবরাজ ইমরান খানকে বলেন – আমি যুদ্ধ এড়াতে চাই।

নিউ ইয়র্কে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেন ইমরান। প্রতিবেদনে আরো দাবি করা হয়, রিয়াদের পক্ষ থেকে ইরাককেও অনুরোধ করা হয়েছে, তারাও যেন এ ব্যাপারে ইরানি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের দুটি তেল স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেন ইয়েমেনের হুতি বাহিনীরা। কিন্তু সৌদি আরব অনবরত এই হামলার ব্যাপারে ইরানকে দোষারোপ করে আসছিল। যার ফলে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাহায্য করে রিয়াদ। কিন্তু ট্রাম্প সরকার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে সমঝোতায় আসার উপদেশ দেন সৌদি বাদশাকে।

এর পরই নড়েচড়ে বসেন সৌদি যুবরাজ। মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পেয়ে তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার পথে হাঁটতে একরকম বাধ্য হন তিনি।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে – ট্রাম্পের বিষয়ে মুসলিমবিশ্বের উদ্বেগ সত্ত্বেও বরাবরই তাঁর প্রতি আগ্রহ ছিল রিয়াদের। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্পের মুসলিমবিরোধী নিষেধাজ্ঞার ঘটনায় দুনিয়াজুড়ে সমালোচনার মধ্যেই ট্রাম্পকে ‘মুসলমানদের সত্যিকারের বন্ধু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ এমবিএস।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত