বিশ্ব শিক্ষক দিবস এবং পলান সরকারদের গল্প!

পৃথীবিতে বাবা-মায়ের পরে সম্মানের স্থানটুকু দেওয়া হয়েছে শিক্ষককে। বাবা-মা জন্ম দিয়েছেন, কিন্তু শিক্ষক সেই সন্তানকে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলেন। আমাদের জীবনে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ঠিক যতখানি বেশী, ঠিক ততখানিই গুরুত্বপুর্ণ শিক্ষকদের সহচার্জতা।

৫ অক্টোবর, আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস! আমাদের জীবনে সেই শুরু থেকে প্রতিটি ধাপে ধাপে অনেক শিক্ষককে আমরা দেখেছি। জন্মের প্রথম কথা বলার শিক্ষাটা যে মা দিয়েছেন। তাই সবার জীবনে প্রথম শিক্ষক হয় মা। কিছু শিক্ষক আছেন শুধু শিক্ষাদানেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। শিক্ষার আলো প্রতিটি মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে একনাগাড়ে ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে গ্রামে, গলি থেকে গলিতে, ঘর থেকে ঘরে।

সৎ ইচ্ছা নিয়ে মানুষের হাতে হাতে বই ধরিয়ে দিয়েছেন যে- শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা কতখানি বুঝিয়ে দিয়েছেন। তেমনই একজন শিক্ষানুরাগী মানুষ ‘পলান সরকার’। লুঙ্গি-পাঞ্জাবী পরা কাদেতে ঝোলানো ব্যাগ- চিরচায়িত গ্রাম্য শিক্ষকদের রূপ এই মানুষটি। রোজ কয়েক  মাইল হেঁটে গিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন বই। পরিণামে কি নিচ্ছেন তিনি? কিছুই না!

আজকের এই দিনে পলান সরকারকে জানাই অন্তরের অন্তস্থল থেকে শ্রদ্ধা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন করা না হলেও বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন দিবসটি পালন করে থাকে। এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘তরুণরাই এই পেশার ভবিষ্যৎ’।

১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে থাকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এই দিবসটি শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য পালন করা হয়।

ইউনেস্কোর মতে – বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পালন করা হয়। বিশ্বের ১০০টি দেশে এই দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। এই দিবসটি পালনে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল ও তার সহযোগী সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত