সোনাগাজীতে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, এএসআই ক্লোজড

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ১০ সেপ্টেম্বর। ধর্ষণের শিকার নারীসহ তার পালক বাবা-মাকে চাচাতো ভাই মিলে মারধর করে আহত করে। পরে ঐ নারী বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় চাচা, চাচি, চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে। এসময় সেখানে কর্তব্যরত এএসআই সুজন চন্দ্র দাস যাতায়াত খরচ চাইলে ঐ মহিলা দিতে পারেননি।

বাড়ি ফিরে যাওয়ার সময় থানার মাঠে দেখা হয় রহিমা সুন্দরী নামের এক নারীর সঙ্গে। রহিমা সুন্দরী নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেন। পরে রহিমা সুন্দরী তাকে তার বাসায় নিয়ে যান। ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে এএসআই সুজনকে তার বাড়িতে আসতে বলেন রহিমা সুন্দরী। এএসআই সুজন ওই বাড়িতে এসে তাকে ধর্ষণ করেন।

গত বৃহস্পতিবার ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিএস্ট্রেট আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দিতে নারীটি এই কথাগুলো বলেছেন। এ সময় নারী আরো জানায়, পরে একই রাতে শম্ভু শিকদার, আফলাছসহ পাঁচ যুবক ঘটনা দেখে ফেলেছেন বলে তাকে ধর্ষণ করেন।

ওই গৃহবধূ এর আগে মঙ্গলবার বাদী হয়ে সঞ্জু শিকদার, রহিমা সুন্দরী ও আফলাছ হোসেনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন।

তবে ভয়ে পুলিশ কর্মকর্তা সুজনের নাম মামলায় উল্লেখ করেননি বলে জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন। পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সঞ্জু শিকদার ও রহিমা সুন্দরীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

এই মামলার তদন্ত স্বার্থে সেই এএসআই সুজন চন্দ্র দাসকে ফেনীর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল আহমেদ ভূঁইয়া জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসের অপরাধ বিভাগের পুলিশ সুপার হাসান মাহমুদ বিষয়টি তদন্ত করছেন।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত