বিদায় বেলায় মাশরাফির কাছে যা চাইলেন মাসাকাদজা

নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ক্রিকেটের একজন কিংবদন্তি খেলোয়াড় মাশরাফি বিন মর্তুজা। দলের খারাপ সময় ভালো সময় দেখেছেন নিজের চোখে, হাল ধরেছিলেন অনেকবার। সাতবার অস্ত্রপ্রচার হওয়ার পরও ইঞ্জুরিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে খেলে যাচ্ছেন অনেকদিন ধরেই।

তার মত আরো একজন আছে! তবে বাংলাদেশের নয়, তিনি একজন জিম্বাবুইয়ান। জিম্বাবুইয়ের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের তালিকায় হ্যামিল্টন মাসাকাদজার নাম থাকবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মাশরাফির মত মাসাকাদজাও দেখেছেন দলের উত্থান-পতন। তবুও হাল ছাড়েননি কখনো।

মাশরাফি বিদায়বেলায় বাংলাদেশ দলের ভালো সময় দেখেছেন। কিন্তু মাসাকাদজার কপালে সেই সুখটা হয়তো ছিল না। কিন্তু যতদিন ছিলেন দলের জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে গেছেন। গতকাল তিনি তার শেষ ম্যাচটি খেললেন। শেষ ম্যাচ জয় দিয়েই শেষ করলেন তিনি। হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচও।

জিম্বাবুইয়ান এই ক্রিকেটার বাংলাদেশকে নিজের “দ্বিতীয় বাড়ি” বলেন। তাই নিজের শেষ ম্যাচটি খেললেন দ্বিতীয় বাড়িতেই। বিদায় বেলায় সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে মাশরাফির নাম নিতে ভুল করেননি তিনি। একইসাথে মাশরাফির কাছে এক আবদার করলেন মাসাকাদজা।

Hamilton Masakadza

ছবি: শেষ ম্যাচ খেলতে নামার সময় সতীর্থদের গার্ড অব অনারে শিক্ত হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

মাসাকাদজার মতে, চোট-জর্জর ক্যারিয়ারে মাশরাফি যে লড়াই করেছেন তা সবার জানা উচিৎ। তিনি বলেন – মাশরাফির সঙ্গে একসাথে খেলতে পারা এখানে আমার সবচেয়ে ভালো স্মৃতি। আমার মনে হয়- তার কঠিন সময়ের কথা এখনো মানুষ জানে না। সে কত কষ্ট করে তার ক্যারিয়ার সামলেছে সেটা অনেকেরই এখনো অজানা।

মাসাকাদজা চান তার এই সংগ্রামের কথা মানুষ জানুক। আর তাই মাশরাফিকে বই লেখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন মাসাকাদজা, এবারো নতুন করে তা-ই বললেন। হ্যামিল্টন বলেন – ‘আমি ওকে সব সময়ই বলি- তোমার উচিৎ নিজেকে নিয়ে বই লেখা। মাশরাফির অভিজ্ঞতা তরুণদের জন্য দারুণ প্রেরণা হতে পারে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি- ও (মাশরাফি) বাংলাদেশ ক্রিকেটকে যতটুকু দিয়েছে তার সবটুকু মানুষের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন।

মাশরাফির সাথে যে সময়গুলো কাটিয়েছেন, মাসাকাদজার কাছে তা ‘আশীর্বাদ’ বলে মনে করেন মাসাকাদজা।

 

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত