বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট: মাঠে এখন নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী

গতকাল ৪র্থদিনের খেলার শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেন – সৃষ্টিকর্তা এবং বৃষ্টি না চাইলে এই ম্যাচে হার এড়ানো সম্ভব নয়।

তবে সাকিবের কথা একেবারেই ফেলে দেওয়ার মত নয়। জিততে হলে বাংলাদেশের দরকার ২৬২ রান। কিন্তু হাতে আছে মাত্র ৪ উইকেট।  পুরো দিন খেলাও প্রায় অসম্ভব। সব সমস্যার সমাধান করে চট্টগ্রামে সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি চলছে। পঞ্চম দিন একটি বলও মাঠে গড়ায়নি।

৩৯৮ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে গতকাল রবিবার ৬ উইকেটে ১৩৬ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করে বাংলাদেশ। ৪:৪০ মিনিটে বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ না হলে হয়তো কালই পরাজয় দেখতে হতো সাকিবদের। সাকিব ৩৯* আর সৌম্য ০* রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস সূচনা করেন লিটন দাস আর সাদমান ইসলাম। শুরুটা মোটামুটি ভালো হলেও ৩০ রানের জুটি জহির খানের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন লিটন দাস (৯)। আগের বলেই তিনি রিভিউ নিয়ে জীবন পেয়েছিলেন।

তিনে নামা মোসাদ্দেক হোসেন ১২ রান করে সেই জহির খানের বলেই আত্মঘাতী শটে আউট হন। মুশফিকুর রহিম আজ ‘ডিপেন্ডেবল’ হয়ে উঠতে পারেননি। রশিদ খানের বলে ২৩ রানে এলবিডাব্লিউ হয়েছেন। রিভিউ নিয়েও আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলানো যায়নি।

মুমিনুল হক ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ খ্যাতি পেলেও রশিদ খানের ঘূর্ণি বুঝতে না পেরে এলবিডাব্লিউ হন ৩ রান করে। সাদমানের সঙ্গে সাকিব যোগ দিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু জুটিতে ২৪ রান আসতেই মোহাম্মদ নবির বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান ১১৪ বলে ৪১ করা সাদমান। ১১ রানে রশিদের সৌজন্যে একবার জীবনও পান সাকিব। টানা ব্যর্থ হওয়া মাহমুদউল্লাহ ৭ রান করে রশিদ খানের শিকার হন। শর্টে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন ইব্রাহিম জারদান।

১৩৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামা আফগানিস্তান ২৬০ রানে অল-আউট হয়। এর আগে আফগানদের ৩৪২ রানের জবাবে ২০৫ রানেই অল-আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের। তাছাড়া চট্টগ্রামে বাংলাদেশ চতুর্থ ইনিংসে কখনোই রান তাড়া করে জিততে পারেনি।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত