দিন শেষে এগিয়ে থাকলো আফগানরা!

একমাত্র টেস্ট ম্যাচে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে আজ মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। আফগান দলপতি রশিদ খান টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আফগানিস্তানের।

দলীয় ১৯ রানেই প্রথম উইকেট হারায় আফগানরা। ওপেনার ইনশাল্লাহ জান্নাতকে মাত্র ৯ রানে বোল্ড করে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্রুততম ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তাইজুল ইসলাম। এরপরের উইকেটটিও তিনি তুলে নেন। আরেক ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে ২১ রানে মাহমুদুল্লাহর হাতে বন্দি করান তাইজুল।

এরপরও উইকেটে থিতু হতে পারছেন না আফগান ব্যাটাররা। উইকেটে তাইজুলের বল এতোই কার্যকর ছিল যে, ক্যাপ্টেন সাকিব টানা ১৩ ওভার পর্যন্ত তাকে দিয়েই বোলিং করালেন। অবশ্য আফগানিস্তানের রহমত শাহ একপ্রান্ত আগলে রেখে ততক্ষণে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন।

এরপরের ব্রেকথ্রুটা আসে মাহমুদুল্লাহর হাতে। দীর্ঘ সময় পর ইনজুরি থেকে ফিরে বোলিংয়ে এসে প্রথম ওভারেই প্যাভিলিয়নে ফেরান হাসমতুল্লাহ শহিদিকে (১৪)। লাঞ্চের আগে এগিয়ে থাকার পাল্লাটা তখন বাংলাদেশের দিকেই ছিল।

কিন্তু লাঞ্চের পরেই কঠিন হয়ে যায় রহমত শাহ এবং আজগর আফগান। দুজনের মিলে ১২০ রানের অনবদ্য এক জুটি গড়েন। রহমত শাহ (১০২) প্রথম আফগানি হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরি তুলে নেন। কিন্তু সেঞ্চুরি করেই তিনি হাঁপিয়ে উঠেছিলেন। তাই তাকে ফিরিয়ে দেন নাঈম হাসান।

এরপরের শিকারটিও আসে নাঈমের হাতে। মোহাম্মদ নবীকে ক্লিন বোল্ড করে ফেরান শুন্য রানে। এরপরের গল্পটুকু শুধু আসগর আফগান এবং আফসার জাজাইয়ের। দুজনের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে প্রথমদিন শেষে চালকের আসনে চলে যায় আফগানিস্তান।

৮৮ রানে অপরাজিত থাকা আসগর আগামিকাল মাঠে নামবেন সেঞ্চুরি করার লক্ষ্য নিয়ে। অপরদিকে আফসার অপরাজিত আছেন ৩৩ রানে। বাংলাদেশের হয়ে মাহমুদুল্লাহ নেন একটি উইকেট। এছাড়া নবীন নাঈম হাসান এবং তাইজুল নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম দিনের খেলা শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৭১ রান।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত