ডেঙ্গুতে মারা গেল আরো দুইজন!

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্যনুযায়ী ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসছে। একইসাথে হাসপাতালেও ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা দিনদিন কমছে। কিন্তু বন্ধ হয়নি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। আজও ডেঙ্গুতে মারা গেছে আরো দুইজন।

মাদারীপুরের শিবচর থেকে ঢাকায় আনার পথে সুমি আক্তার নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। অপরদিকে আজ সকালে ঢাকা মেডিকেলে মারা যান রাজধানীর বনশ্রীর বাসিন্দা ফজলুর রহমান।

এদিকে, ডেঙ্গুতে ঢাকার বাইরে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। মূলত চিকিৎসায় অভিজ্ঞতার অভাব ও হাসপাতালে আসতে দেরি হওয়ার জন্যই বাড়ছে মৃত্যু। সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

আর কোনো দিন ফিরবে না মা। চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ছেলে অলিনকে মশা সম্পর্কে সাবধান করলেও মা হাফসা লিপি নিজেই মারা গেলেন ডেঙ্গুতে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে ইতালি থেকে শরীয়ত পুর আসেন লিপি। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার আট দিনের মাথায় মারা যান। চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতেই নেন চিকিৎসা। পরে অবস্থা জটিল হলে ঢাকায় এনেও বাঁচানো যায়নি তাকে।

ঢাকার বাইরে বেশির মৃত্যুর গল্পই এমন। সবচেয়ে বেশি মাদারীপুরে মারা গেছেন সাত জন। আর শুধু ঢাকা বিভাগে এই সংখ্যা ২৭।

সোসাইটি অব মেডিসিনের মহাসচিব ডা. আহমেদুল কবীর বলেন – ডায়রিয়া বমি জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মতো সাধারণ লক্ষণের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় ডেঙ্গু ভাইরাস। ফলে গুরুত্ব দেন না অনেকে। দেরিতে যান চিকিৎসকের কাছে। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীরে মুল অর্গান হার্ট লিভার কিডনি আক্রান্ত্র হওয়ায় দেখা দেয় নানা জটিলতা। বাঁচানো যাচ্ছে না রোগীকে, বলছেন চিকিৎসকরা।

এখন রাজধানীর বাইরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। সেই তুলনায় চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার অভাব রয়েছে। এদিকে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১শ ৭৯ রোগী।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত