লংকানদের লোয়ার অর্ডার ঝড়ে ম্লান মুস্তাফিজ-তাসকিনরা

ফাইল ছবি।

তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলতে এখন শ্রীলঙ্কায় আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মূল সিরিজের আগে আজ শ্রীলঙ্কা বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছে সৌম্য রুবেলরা। প্রস্তুতি ম্যাচে শুরুতে দুর্দান্ত বোলিং করলেও শেষদিকে শানাকার টর্নেডো ব্যাটিংয়ে সেটি ম্লান হয়ে যায়। ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা।

পি সারা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে লংকান টিমটি। রুবেল হোসেন শুরুতেই লেগ বিফোরে তুলে নেন অধিনায়ক নিরোশান ডিকভেলাকে। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে দলকে ম্যাচে ফেরনোর চেষ্টা করেন গুনাথিলাকা ও ফার্নান্দো। কিন্তু রুবেলের আবারও আঘাত, লংকানদের আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়। এ যাত্রায় ফার্নান্দোকে তুলে নেন রুবেল।

রুবেলের ছোবলের পর ঝড় হয়ে আসেন তাসকিন আহমেদ। ওশাদা ফার্নান্দোর পরপরই গুনাথিলাকাকে ফেরান তাসকিন। রান ৪০ পেরোনোর আগেই ৩ টপ অর্ডারের বিদায় বিপদে ফেলে দেয় লংকানদের। সেখান থেকে দলকে শতক পার করান রাজাপাকশে।। কিন্তু দলীয় ১১৪ রানে ৩২ রান করা রাজাপাকশে কাটা পড়েন সৌম্য সরকারের বলে।

এরপর অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে ফেরান মুস্তাফিজ। আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় লংকান দলটি। এর মধ্যে জয়সুরিয়া ৫ চারে করে ফেলেন ৫৬ রান। কিন্তু তাকেও আর ক্রিজে থাকতে দিলেন না সৌম্য সরকার।

সেখান থেকে  প্রতিরোধ গড়ে তোলেন দাসুন শানাকা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪৯ রানের জুটি গড়ে মাঝের ধাক্কা সামাল দেন তারা। দলীয় ১৯৫ রানে ব্যক্তিগত ৩২ রান করে হাসারাঙ্গা ফিরলেও লড়াকু সংগ্রহের ভিত পেয়ে যান লংকানরা। পরে রানের গতি বাড়িয়ে চলেন শানাকা। শেষদিকে তার ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ।

যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান আকিলা ধনাঞ্জয়া। অবশ্য বেশি রান করতে পারেননি তিনি। তামিম ইকবালের ম্যাজিক্যাল থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন তিনি। তবে শানাকা তাণ্ডব চলতেই থাকে। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে লাল-সবুজ জার্সিধারী বোলারদের কচুকাটা করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে শ্রীলংকা। ৬৩ বলে ৬টি করে চার-ছক্কায় ৮৬ রানের হার না মানা টর্নেডো ইনিংস খেলেন শানাকা। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দেয়া আমিলা অপোন্সো ১৩ রানের অপরাজিত থাকেন।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত