মুজিবনগরে সীমানা প্রাচীর না থাকায় ঝুঁকিতে পাঠদান করছে শিক্ষার্থীরা

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশাল পুকুরের পাশে সীমানা প্রাচীর না থাকায় ঝুকির মুখে পরে প্রতিনিয়ত স্কুলে এসে পাঠদান করতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।

প্রাচীর না থাকায় ছোট ছোট বাচ্চারা খেলাধুলা করতে করতে পুকুরে পড়ে গিয়ে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। সেইসাথে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির আশংকাও রয়েছে, এমনটাই অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। দীর্ঘ ৪৬ বছর আগে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হলেও,  স্কুল সংলগ্ন বিশাল পুকুরের পাশ দিয়ে কোন ধরনের সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়নি আজও।

বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি (১৯৭৩) সালে ৩৮ শতাংশ জমিতে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয় স্থপতি হওয়ার পর পরই জাতীয়করণ হয়। বর্তমানে ৬ জন শিক্ষক ও প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয় সংলগ্ন পুকুরটির পাশ দিয়ে বাঁশের বেড়া দেওয়া থাকায় শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা ও খেলাধুলা করতে পারতো। কিন্তু বেড়া দেওয়ার দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলে সেটি নষ্ট হয়ে যায়।

জানা যায়, এখন ছোট ছোট বাচ্চারা খেলাধুলা করতে ভয় পায়। তাছাড়া সকল খেলার সরঞ্জাম পুকুরের পাশ দিয়ে রয়েছে। বাচ্চারা সেদিকে খেলতে গিয়ে যে কোন সময় পানিতে পরে যে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

সোনাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওলিয়া খাতুন বলেন – পুকুরটির পাশ দিয়ে কোন সীমানা প্রাচীর না থাকায় খুব ভয়ে থাকতে হয়। জানিনা কখন কি দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার জন্য প্রায় ২বছর আগে মাননীয় সংসদ সদস্যসহ উপজেলা শিক্ষা অফিসের নিকট লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আমাদের সীমানা প্রাচীর করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ দিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন – উপজেলার মোট ৩৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১ম ধাপে ৪টির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। পুনরায় চাহিদা মোতাবেক ৫ টির বরাদ্দ এসেছে। বাকি গুলো পর্যায় ক্রমে চাহিদা পাঠানো হবে। তবে ঐ রকম ঝুকিপু্ররণ বিদ্যালয় গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগে দেখা হবে।

#রেজাউল করিম, মুজিবনগর প্রতিনিধি।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত