বদলে যাচ্ছে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের দল বাছাই পদ্ধতি

২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে কিছু পরিবর্তন এনেছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এবারের বিশ্বকাপে কোন গ্রুপ পর্ব ছিল না। অংশ নেওয়া ১০ দলের প্রত্যেকেই ৯টি করে ম্যাচ খেলতে হবে। সেখান থেকে সেরা চার দল যাবে সেমিফাইনালে। তবে এবার আইসিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে একটি নতুন পরিবর্তন আনা হবে।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব পরিবর্তন করবে আইসিসি। ১৫ বিশ্বকাপে টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর বাছাইপর্ব খেলতে হয় নি। তারা সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু চলতি বিশ্বকাপে সেটির পরিবর্তন করে আনা হয়েছে র‍্যাংকিংয়ের সেরা ৮ দল সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে। তবে তাদের আগের রেটিং পয়েন্টগুলো বহাল থাকায় কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই ৮ শীর্ষ ওয়ানডে দল বিশ্বকাপে সরাসরি খেলে।

তবে ২০২৩ বিশ্বকাপ থেকে বদলে যাবে এই পদ্ধতি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলতে হবে সব দলকেই। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কোনো রেটিং পয়েন্টও থাকবে না। পরবর্তী আসরের জন্য বাছাইপর্ব শুরু হবে আগামী মে মাস থেকেই। ১৩টি দল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সুপার লিগে অংশ নিবে। লিগ হবে দুই বছর ধরে। প্রতিটি দল এই ২ বছরে ৮টি সিরিজ খেলবে।

৪টি হোম সিরিজ ও ৪টি সিরিজ অ্যাওয়ে সিরিজ। এই ৮টি সিরিজের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে কোন সাতটি দেশ সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে। তবে আয়োজক দেশকে কোনো বাছাইপর্ব খেলতে হবে না।

বাছাইপর্বের এ সুপার লীগ চলবে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত। বাছাইপর্বে বড় দল বা ছোট দল বলে কোনো হিসেব থাকবে না। সব দলের বিপক্ষে জিতলেই সমান যোগ পয়েন্ট। টেস্ট খেলুড়ে ১২টি দলের সঙ্গে নেদারল্যান্ডস অংশগ্রহণ করবে এই সুপার লীগে। স্বাগতিক ভারতসহ মোট ৮টি দল বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করবে। বাকি ২টি দল যাবে র‍্যাংকিংয়ের নিচে থাকা দলগুলোর একই সময়ে চলা লীগ থেকে উঠে আসা দলগুলোর বিপক্ষে আরেক দফা বাছাইপর্ব খেলে।

১৩ দলের ওয়ানডে লীগে বাংলাদেশের ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ হবে আফগানিস্তান, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর দেশের বাইরে টাইগারদের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে।

পাঠকের মতামত