জেএসসি-এসএসসি-এইচএসসিতে সিজিপিএ চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে

জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষাগুলোর ফলাফলে বিদ্যমান গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (জিপিএ) পরিবর্তে কিউমুলেটিভ গেড পয়েন্ট এভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতি চালু করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর এই চিন্তার সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও নীতিগতভাবে একমত।

তবে এখনো নম্বর বণ্টন (কত নম্বরের মধ্যে সিজিপিএ কত হবে) ঠিক হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে নম্বর বণ্টন করা হবে। সিজিপিএতে ফলের সর্বোচ্চ সূচক ৪, যা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চালু আছে। আর জিপিএতে ফলের সর্বোচ্চ সূচক ৫, যা পাবলিক পরীক্ষায় চালু আছে।

এ বিষয়ে নিয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল বলেন – গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে বোর্ড চেয়ারম্যানদের সভায় এ বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন সবাই। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ও বিদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার জন্যই এই চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকেই সেটি চালুর চিন্তাভাবনা আছে। এরপর এসএসসি এবং এইচএসসিতেও তা চালু করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সিজিপিএ হওয়ার ব্যাপারে অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন – সমাপনী পরীক্ষা হয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই এ বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। দেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়, যার ফল প্রকাশ করা হয় জিপিএর ভিত্তিতে।

 এ দিকে, এ বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আমিরুল আলম খান বলেন – আন্তর্জাতিকভাবে সিজিপিএর সর্বোচ্চ সূচক ৪। ফলে সেটা চালু হতেই পারে। তবে এ ধরনের মৌলিক নীতির পরিবর্তন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে নেওয়া উচিত। বছরের মাঝখানে এসে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে এবং কিছুটা সমস্যাও হয়।

পাঠকের মতামত