প্রবাসীদের কল্যাণে এই ঈদে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স

ফাইল ছবি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ এসেছে বাংলাদেশে। মাসের প্রথম ২৪ দিনে ১৩৫ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছে প্রবাসীরা। এই অবস্থা জারি থাকলে মে মাস শেষে ১৭০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা আছে। যদি এমনটা হয় তবে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আহরণ হবে এই মাসে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা ১ হাজার ৫৫৭ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০৪ কোটি ডলার বেশি। আর ২০১৭ সালে এসেছিল ১ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিল প্রবাসীরা।

ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে গতি বেড়েছে। এর ফলে চলতি মে মাসের প্রথম ২৪ দিনে ১৩৫ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে এসেছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবাহ ধারাবাহিক থাকলে এ মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসবে বাংলাদেশে।

এদিকে ঈদুল ফিতরের আগে গত বছর মে মাসে প্রবাসীরা ১৫০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৩ কোটি ডলার। আর চলতি (২০১৮-১৯) অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৩০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১০ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে ব্যাংকিং চ্যানেলে এক হাজার ৫৫৭ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০৪ কোটি ডলার বা প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৭ সালে এসেছিল এক হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার। এর আগের বছর ২০১৬ সালে ছিল এক হাজার ৩৬১ কোটি ডলার। ২০১৫ সালে এসেছে এক হাজার ৫৩১ কোটি ডলার। আর ২০১৪ সালে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৪৯২ কোটি ডলার।

রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে। এ সময় রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার।

এছাড়া সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিল প্রবাসীরা। যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

পাঠকের মতামত