কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ১০ টায় র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালি শেষে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম রায়হান উদ্দিনের সঞ্চালনায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির পাদদেশে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপাচার্য বলেন – মুক্তবুদ্ধি চর্চার স্থান হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। রমজান ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের কারণে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপন করতে পারিনি। ঈদ-উল-ফিতর পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পরে আমরা মাননীয় মন্ত্রী, ইউজিসি চেয়ারম্যান, সাবেক উপাচার্যবৃন্দসহ সবাইকে নিয়ে বৃহৎ আকারে দিবসটি উদযাপন করবো। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি রয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা আমাদের কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছে যাব ইনশাআল্লাহ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, প্রক্টরিয়াল বডি, হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কোটবাড়ী শালবন বিহার এবং ময়নামতি জাদুঘর সংলগ্ন কুমিল্লার বিখ্যাত লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে ২০০৬ সালের ২৮ মে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের ২৬তম এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি। এর ঠিক এক বছর পরেই (২৮ মে ২০০৭) মাত্র ৭টি বিভাগে ৩০০ জন শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক নিয়ে শুরু হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম।

বর্তমানে এ বিদ্যাপীঠে ৬ টি অনুষদের অধীনে ১৯টি বিভাগে প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করেছে বিভিন্ন বিভাগের নয়টি ব্যাচ। যারা অনেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে দেশ তথা মানবজাতির কল্যাণে বের হয়েছে। যাদের পদচারণা দেশের গুরুত্বপূর্ণ যায়গাসহ দেশের বাহিরেও বিদ্যমান।

#মোঃ জাহিদুল ইসলাম, কুবি প্রতিনিধি।

পাঠকের মতামত