আজই দেশে ফিরছেন ওবায়দুল কাদের!

টানা ২ মাস ১০ দিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। চিকিৎসা শেষে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় দেশে ফিরছেন তিনি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দ‌রে ওবায়দুল কা‌দের‌ অবতরণ কর‌লে তাকে বিমানবন্দ‌রে অভ্যর্থনা জানা‌বে আওয়ামী লীগ।

আজ ওবায়দুল কা‌দের‌ দেশে ফিরবেন জানিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র মাহবুব-উল আলম হানিফ জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন। তিনি বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী আবারও আগের মতো পরিপূর্ণ সুস্থভাবে দল পরিচালনার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। এর আগে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম হাজারী শনিবার যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, ১৫ মে সিঙ্গাপুর থেকে বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, স্যার (ওবায়দুল কাদের) এখন সুস্থ। ডাক্তারের পরামর্শেই তিনি এখন দেশে ফিরবেন।

বর্তমানে ওবায়দুল কাদের অনেকটাই সেরে উঠেছেন। অস্ত্রোপচারের ধকল কাটিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে স্বাভাবিক হাঁটাচলা করতে পারছেন। এছাড়াও সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, ওবায়দুল কাদের দেশে এসে আগামী ২৫ মে দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আমরা আশা প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্য, বাইপাস সার্জারির পর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ওবায়দুল কাদের গত ৫ এপ্রিল ছাড়পত্র পান। তিনি হাসপাতালের কাছেই একটি ভাড়া বাসায় থাকছেন। ২০ মার্চ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি হয়। প্রসঙ্গত গত ৩ মার্চ সকালে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের।

সেখানে এনজিওগ্রাম করার পর তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। সেদিন তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ইসরাতুন্নেসা কাদের, এপিএস মহিদুল হক, সেতু বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফাইয়াজ, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সুখেন চাকমা, ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার মনসুরুল আলমসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন। সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের কাছেই একটি ভাড়া নেয়া অ্যাপার্টমেন্টে থাকছেন তিনি। এখান থেকেই নিয়মিত তার চিকিৎসক ডা. ফিলিপ কোহের চেম্বারে চেকআপের জন্য যাতায়াত করছেন।

 

পাঠকের মতামত