হোপের উপরই হোপ উইন্ডিজের, মুস্তাফিজের………

মুস্তাফিজ এখনো ফুরিয়ে যায়নি। প্রথম ম্যাচের বাজে বোলিংয়ের শোধ সুদে-আসলে তুলে নিলেন মুস্তাফিজ। সকল আলোচনা সমালোচনার মুখ বন্ধ করে দিয়ে দূর্দান্তভাবে কামব্যাক করলেন তিনি। পুরো ম্যাচে তার বোলিং খুব ভুগিয়েছে উইন্ডিজ ব্যাটারদের। পুরো ম্যাচে তার বোলিং খুব ভুগিয়েছে উইন্ডিজ ব্যাটারদের। ১০ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে তুলে নিলেন ৪ উইকেট।

প্রথম ১০ ওভারে কিছুটা ব্যাটিং ঝড় দেখালেও শেষদিকে এসে ম্লান হয়ে গেছে ক্যারিবীয়ানরা। শাই হোপ ছাড়া কেউই দেখানোর মত কিছুই করতে পারেনি। শেষদিকে জেসন হোল্ডারের ৬২ রানের উপর ভর করে ২৪৭ রান করতে পেরেছে তারা। এছাড়া উইন্ডিজ ব্যাটিংয়ের গল্প শুধু শাই হোপকে নিয়ে লেখা। মাশরাফির বলে কটবিহাইন্ড হওয়ার আগে ১০৮ বলে ৮৭ রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস খেলে গেলেন হোপ।

ক্যাপ্টেন মাশরাফি কিছুটা খুরুচে বোলিং (১০-৬০-৩) করলেও নিয়েছেন মুল্যবান তিনটি উইকেট। তবে সাকিবের বল যেন বুঝতেও পারেনি ক্যারিবীয়ানরা। সাকিব ১০ ওভার করে দিয়েছেন মাত্র ২৭ রান। একটি ম্যাডেনের সাথে তুলে নিলেন একটি উইকেট। এছাড়া মেহেদি মিরাজ ১০ ওভারে ৪১ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। অপরদিকে আবু জায়েদ রনি ৯ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে ছিলেন উইকেট শুন্য।

শাই হোপ এবং জেসন হোল্ডারের সপ্তম উইকেট জুটি থেকে আসে ১০০ রান। মুলত, এই জুটির সুবাদে উইন্ডিজ ২৫০ রানের কাছে যেতে পেরেছে। হোপ এবং হোল্ডারের উইকেট দুটি তুলে নিয়েছিলেন মাশরাফি। তাদের আউটের পরই ক্যারিবীয়ানদের রানের চাকা আটকে যায়।

এখন তামিম, মুশফিকদের সামনে ২৪৮ রানের মাঝারী টার্গেট। তবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে উইন্ডিজদের ২৬২ রানের টার্গেটের কাছে এটা অনেকটাই ছোট। এখন বোলারদের পরে ব্যাটারদের জ্বলে উঠার পালা।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত