রমজানে পর্যাপ্ত সরবরাহ, পেঁয়াজের কেজি ৮ টাকা এবং ছোলার কেজি ৬২ টাকা

আর কিছুদিন পর শুরু হবে পবিত্র মাহে রমজান। রমজানে পেঁয়াজ এবং ছোলার ব্যাপক চাহিদা থাকে। এছাড়াও চিনিসহ অন্যান্য মসলা ও তেল জাতীয় পন্যের চাহিদাও থাকে অনেক বেশী। তারপরও এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ ও ছোলার দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে আছে।

চদেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮ টাকা এবং ছোলা ৬১ থেকে ৬২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আসন্ন শবে বরাতের চাহিদা বাড়তে থাকায় চিনির দাম বাড়ছে। আর বুকিং রেটের কারণে অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে ভোজ্য তেলের বাজার।

ভারত থেকে ব্যাপকভাবে আমদানি হওয়ায় কোন কারসাজি কাজে আসছে না পেঁয়াজের বাজারে। বরং প্রতি সপ্তাহেই কেজিতে এক-দু’টাকা করে কমছে। সে সাথে চীন ও থাইল্যান্ড থেকে সরবরাহ বাড়ায় আদা ও রসুনের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

খাতুনগঞ্জের এক দোকানী বলেন – পেয়াজ প্রচুর পরিমাণে আমদানি হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে ২-৩ টাকা করে কমতে শুরু করেছে।

একই অবস্থা ছোলার বাজারেও। সবচেয়ে বেশি ছোলা আমদানি করা হয় অস্ট্রেলিয়া থেকে। কিন্তু এবার অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার ফলন ভালো হয়নি। তাই বাজার দখল করেছে সাধারণ মানের ছোলা। মানের কারণে ছোলার দামও তুলনামূলক কম।

চট্টগ্রাম ডাল মিল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সনজয় দেব বলেন – অস্ট্রেলিয়ার ছোলা নিম্ন মানের যার কারণে বাজার কম। তবে, মায়ানমার থেকে উন্নত মানের ছোলা আসবে। যদি ভাল মানের হয় তাহলে দামও বেশি হবে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্য তেলের বুকিং রেট স্থিতিশীল থাকায় সব ধরনের ভোজ্য তেলের দাম কমতির দিকে।

খাতুনগঞ্জ বাজারের আরেক দোকানী বলেন – রমজানকে কেন্দ্র করে সয়াবিন ও পাম ওয়েলে কেজি প্রতি ১০ পয়সা ও ২০ পয়সা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পবিত্র শবেবরাত থেকে শুরু করে পুরো রমজান মাসে চিনির চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফলে চাহিদার কারণে চিনি’র দাম বাড়ছে। খাতুনগঞ্জের মেসার্স আলতাফ অ্যান্ড ব্রাদার্স মালিক আবদুল গফ্ফার বলেন – রমজানে যদি মিল মালিকরা চিনি সরবরাহ অব্যাহত রাখে তাহলে চিনির দাম বাড়বে না।

ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে বুকিং রেট অন্যান্য সময়ের তুলনায় কম থাকায় চলতি বছর চাহিদার তুলনার চেয়ে বেশি ভোগ্য পণ্য আমদানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

পাঠকের মতামত