কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে স্থবীর বেরোবির প্রশাসনিক-একাডেমিক কার্যক্রম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) এবার ১১ দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে কর্মচারী ইউনিয়ন (৪র্থ শ্রেণি)। কর্মকর্তাদের কর্মবিরতির তৃতীয় দিনে বুধবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসের শেখ রাসেল চত্বরে কর্মবিরতি শুরু করে কর্মচারী ইউনিয়ন। একই সাথে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে যাওয়ায় কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

এদিকে তৃতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক কর্মবিরতি অব্যাহত রেখেছে কর্মকর্তারা। উপাচার্যের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) আমিনুর রহমানকে অব্যাহতি, ডেপুটি রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফাকে সংস্থাপন শাখা থেকে অন্য দপ্তরে বদলিসহ ১১ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি করছেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার কর্মবিরতির তৃতীয় দিনে সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রার দপ্তরের সামনে অবস্থান নেয় তারা।

Untitled

কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি নুর আলম বলেন – আমরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হই। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অতিদ্র্রুত আমাদের দাবি মেনে নেবে। অন্যথায় সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলতেই থাকবে।

এ বিষয়ে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন – আমাদের বিশ্বাস উপাচার্য মহোদয় আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবেন। অন্যথায় আমাদের ১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কমিলমউল্লাহ এবং রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামালের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেননি।

#ইভান চৌধুরী, বেরোবি প্রতিনিধি।

 

পাঠকের মতামত