আবারো ২০০১ সালের লজ্জা, আবারো ইনিংস ব্যবধানে হার

ছবি: মাহমুদুল্লাহকে আউট করার পরই জয়ের উৎসব শুরু করে দেয় নিউজিল্যান্ড।

সেই একই দল নিউজিল্যান্ড, শুধু পার্থক্যটা রইলো মাঠ নিয়ে। সেবার ছিল হ্যামিল্টন, এবার হল ওয়েলিংটন। ২০০১ সালে তিনদিন চলা ম্যাচে বাংলাদেশ হারে ইনিংস ব্যবধানে। এবারও তিনদিন চলা টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশ হারে ইনিংস ব্যবধানে।

বৃষ্টি ওয়েলিংটন টেস্ট ২ দিন আটকে দিলেও বাংলাদেশের হার আটকাতে পারেনি। চতুর্থদিনে ৮১ রানে ৩ উইকেট রেখে মাঠ ছেড়েছিলেন সৌম্য সরকার এবং মোহাম্মদ মিথুন। কিন্তু শেষদিন প্রথম সেশনেই নিউজিল্যান্ডের বোলিং তোপে ধরাশায়ী বাংলাদেশের বাকী ব্যাটসম্যানরা।

শেষদিনে এসে মাত্র ৩২ ওভার ব্যাটিং করতে পেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমদিকে অবশ্য স্বাভাবিক ব্যাটিং করেছেন দুই ব্যাটসম্যান সৌম্য এবং মিথুন। কিন্তু ৩৩তম ওভারের প্রথম বলেই ভুল করে বসেন সৌম্য সরকার। বোল্টের করা অফ স্টাম্পের বাইরের বল ব্যাটের কানায় লেগে সোজা চলে যায় স্লীপ পজিশনে থাকা রস টেইলরের হাতে। সেখান থেকে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মিথুন দলকে সুন্দর ভাবেই টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

এবার শর্ট বলের আঘাত। নেইল ওয়াগনারের শর্ট বলে বোকা বনে গেলেন মোহাম্মদ মিথুন। ৪৭ রান করে সাউদির তালুবন্ধি হয়ে মাঠ ছাড়েন। কিন্তু দলীয় ১৫৮ রানে আবারো ওয়াগনারের শর্ট বল, আরো একটি উইকেট। লিটন দাস শর্ট বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাত্র ১ রান করে।

মুলত সেখান থেকে আর কোন ব্যাটসম্যানই ঠিকমত দাড়াতে পারেননি। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৬৭ রান করে আউট হন। এরপর মুস্তাফিজুর রহমান ২টি ছয় মেরে ১৬ রান করেন।

নেইল ওয়াগনার ১৩ ওভারে মাত্র ২৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট শীকার করেন। এছাড়া ট্রেন্ট বোল্ট নেন ৪ উইকেট। এই ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরী করায় রস টেইলরকে ম্যান অব দা ম্যাচ ঘোষণা করা হয়।

 

পাঠকের মতামত