২০০১ সালের পুণরাবৃত্তি হওয়ার শঙ্কায় ওয়েলিংটন টেস্ট

ছবি: ধুন্দুমার ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের ৪র্থ ডাবল সেঞ্চুরী তুলে নেন রস টেইলর

দুইদিন বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর গতকাল মাঠে গড়িয়েছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ২য় টেস্ট। কিন্তু টাইগার ব্যাটসম্যানদের লাগাতার ব্যাটিং বিপর্যয়ে এই ম্যাচেও হারের শংকা জেগে উঠেছে।

যদিও বাংলাদেশের এমন অবস্থায়ও ম্যাচ হারের রেকর্ড আছে। ২০০১ সালে একই প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যামিলটনে দুইদিন বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও বাকী তিনদিনে ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।

প্রথম ইনিংসে দেওয়া বাংলাদেশের ২১১ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ডের ৪৩২ রান। চতুর্থ দিনে ৩২ রানে ২ উইকেট নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে দুই কিউই ব্যাটসম্যান রস টেইলর এবং কেন উইলিয়ামসন।

এই দুইজনের জুটি ভাঙ্গে ১৮০ রানে। তাইজুলের বলে কট এন্ড বল হয়ে ৭৪ রান করে ক্রিজ ছাড়েন উইলিয়ামসন। এরপর হেনরী নিকোলসকে নিয়ে ২১৬ রানের জুটি গড়েন টেইলর।

ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালিয়ে রস টেইলর টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরী তুলে নেন। অন্যদিকে হেনরী নিকোলস ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরী করে তাইজুলের শীকার হন। রস টেইলর ২১২ বলে ১৯ চার আর ৪ ছয়ে ২০০ রান করে মুস্তাফিজের শীকার হন।

নিউজিল্যান্ড ৬ উইকেটে ৪৩২ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। কিন্তু ২২১ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ওপেনার তামিম ইকবালকে ক্লিন বোল্ড করেন ট্রেন্ট বোল্ট।

‘তামিম মাঠ ছাড়েন ৪ রান করে।এরপর নিজের টেস্ট সূলভ মনোভাবের বিন্দুমাত্র না দেখিয়ে বোল্টের দ্বিতীয় শীকার হয়ে মাঠ ছাড়েন মমিনুল হক। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম লড়াই করার চেষ্টা করলেও ২৯ রানে তাকে থামান ম্যাট হেনরী।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ম্যাচের শেষ সেশন চলছে। বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ৮০ রান। ব্যাটিংয়ে আছে সোম্য সরকার এবং মোহাম্মদ মিথুন। এই পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জয় অসম্ভব হয়ে আছে। তাই ড্র করতে হলেও বাংলাদেশকে ৫ম দিন সবগুলো সেশন ব্যাটিং করতে হবে।

পাঠকের মতামত