হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি প্রদান

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(হাবিপ্রবি) ভেটেরিনারি এ্যান্ড এ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ধরণের সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি প্রদান করা হয়। দ্বিতীয়বারের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক্সটার্নশীপ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার জন্য ভারতের পুডুচেরির রাজীব গান্ধী ইনস্টিউট অফ ভেটেরিনারি এডুকেশন এ্যান্ড রিসার্চে যাবে।

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ডিভিএম অনুষদের কনফারেন্স রুমে শিক্ষার্থীদের স্ট্যাথোস্কোপ, অস্ত্রোপচার ফলক, টিট সিফোন, সুই (ট্রাম্যাটিক এবং এট্রুম্যাটিক), গেজ, পোভিডোন আইডিনাইন (এন্টিসেপটিক্স), হ্যাকিসোল, কাঁচি, ফোর্স, স্টাইট আরটিরি ফোর্স, কার্ভ অ্যার্টি ফোর্স, নাডেল হোল্ডার, থার্মোমিটার, তুলা, হ্যান্ড হিল, ট্রোকার এবং ক্যানুলা , জিপিপি সুইসহ বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি প্রদান করা হয়। যা দিয়ে সার্জারির ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমাধান করা যাবে।

সার্জিকেল প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডীন প্রফেসর ডা মো ফজলুল হক এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু: আবুল কাসেম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন – আমি সব সময় শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করতে চাই। বিদেশে ইন্টার্নশীপ চালু করে আমি কোন দয়া দেখাইনি। এটা তোমাদের পাওনা ছিল। আমি আশা বিদেশ থেকে ফিরে শিক্ষার্থীরা এই জ্ঞান দেশের কাজে লাগাবে।

পাশাপাশি সফরের সময় নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকে ও খাবারের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেন তিনি। উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ঠিক রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে, ডিভিএম অনুষদের ডীন প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক বলেন, আগে আমাদের শিক্ষার্থীদের বাইরে ইনটার্নশীপের সুযোগ ছিল না। আমাদের ভিসি স্যার শিক্ষার্থীদের বাইরে ইনটার্নশীপের সুযোগ করে দিছেন। তোমরা বাইরে ভালো ভাবে কাজ শিখে আসবে। দেশে এসে তোমাদের আবার প্রাকটিকেল গ্রহণ করা হবে।

১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম মুন্না বলেন – ভারতে এক্সটার্নশীপ এ যেতে পেরে খুব ভাল লাগছে আমার। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এবং অনুষদের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।এ ধারা অব্যাহত থাকুক এবং আমাদেরকে একজন দক্ষ ভেটেরিনারীয়ান হিসেবে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের ভেটেরিনারি চিকিৎসায় এখনো ভারতের মত ততটা উন্নত হয়নি। তাই আমি আশা করি, এই এক্সটার্নশীপ প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা এই পেশা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারব।

তিনি আরো বলেন – ভেটেরিনারী হাতেকলমে শিক্ষার জায়গা আমাদের দেশে বৃদ্ধি করতে হবে যা আমাদের দেশে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানি করতে সাহায্য করবে।

উল্লেখ্য, ১৪ দিন পর পর কয়েক দফায় ২৪ জন করে মোট ১১৮ জন শিক্ষার্থী এক্সটার্নশীপ প্রোগ্রামের জন্য মেডিসিন, সার্জারি ও অবস্ট্রাকস বিভাগের সহযোগি প্রফেসর ডা. উম্মে কুলসুম রিমাসহ ৫ জন শিক্ষকের তত্বাবধানে ভারতে যাবেন।

#আব্দুর রউফ, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি।

Agami Soft. - Inventory Management System

পাঠকের মতামত