জমে উঠলো বিপিএল ফাইনাল, তামিমের সেঞ্চুরীতে নতুন সব রেকর্ড

আজ বিপিএল ৬ষ্ঠ আসরের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও ঢাকা ডাইনামাইটস। ঢাকা শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা লাপ্তান সাকিব আল হাসান।

ব্যাটিং করতে নেমে ২য় ওভারেই মারকুটে এভিন লুইজকে হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। রুবেল হোসেনের ওভারে লেগ বিফোরের শীকার হন এভিন। আউট হওয়ার আগে তিনি ৭ বলে ৬ রান করেন।

এভিন লুইজের পর  ক্রিজে নামেন আনামুল হক। তামিম এবং আনামুল ৮৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। আনামুল হক ৩০ বলে ২৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন।

এরপর সামসুর রহমান কোন রান না করে সাকিবের হাতে রান আউটের শীকার হন। কিন্তু তামিম ক্রিজে টিকে থাকেন। ক্রিজে থেকে ধীরে ধীরে তিনি যেন বিদ্ধংসী হয়ে উঠেন।

অর্ধশত পূরন করতে খরচ করেছেন মাত্র ৩৩ বল। ১ ছয় আর ৫ চারে তিনি হাফসেঞ্চুরী করেন। হাফসেঞ্চুরী পুরণ করার পর তামিম যেন আরো বিদ্ধংসী হয়ে উঠেন। একে একে সাকিব-রুবেলদের শাঁসাতে থাকেন তিনি। পরবর্তি হাফসেঞ্চুরী অর্থাৎ বিপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরী পুরণ করতে খরচ করেন মাত্র ১৭ বল। সেঞ্চুরীর পথে ৮টি বাউন্ডারি এবং ৭টি ওভার বাউন্ডারি মারেন।

বলা বাহুল্য, এবারের বিপিএলে কোন বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানের এটাই প্রথম সেঞ্চুরী। এছাড়া তামিমের করা ১৪১ রান বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। বিপিএলে সর্বোচ্চ স্কোর ক্রিজ গেইলের (১৪৬)। তবে তামিমের আজকের স্ট্রাইক রেট (২৩১.১৫) বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট।  তামিমের ১১ ওভার বাউন্ডারি বিপিএলে কোন ম্যাচে ব্যক্তিগত ছয়ের রেকর্ডে ৩য় স্থানে অবস্থান করছে।

২০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লা সংগ্রহ করে ১৯৯ রান। তামিম অপরাজিত ছিলেন ৬১ বলে ১৪১ রানে।

পাঠকের মতামত