‘বায়ো হ্যাকিং’ – ঝুঁকি থাকলেও দিনে দিনে বাড়ছে জনপ্রিয়তা

আপনি কি ‘আয়রন ম্যান’ বা  ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ হতে চান? কোন চিন্তা করবেন না। করে ফেলুন বায়ো হ্যাকিং আর হয়ে আপন দুনিয়ায় সুপারহিরো। প্রযুক্তিকে নিজেদের শরীরের ভিতর অপারেশনের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ করার পদ্ধতিকে বলা হয় ‘বায়ো হ্যাকিং’। বায়োলজীকে হ্যাক করে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করার কারণে বিজ্ঞানীরা এর নাম দেন বায়ো হ্যাকিং। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে নানা ধরণের প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয় এই বায়ো হ্যাকিং পদ্ধতিতে। দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বায়ো হ্যাকিং।

বায়ো হ্যাকিং পদ্ধতি মানুষ বিভিন্ন অঙ্গে ব্যাবহার কর যায়। কেউ ত্বকে ব্যাবহার করে, হাতে কেউ বা পায়ে ব্যাবহার করে। শরীরের অঙ্গগুলোতে চিপ ঢুকিয়ে বিভিন্ন বস্তুর কন্ট্রোল পাওয়ার জন্য এ পদ্ধতি ব্যাবহার করা হয়। তবে বর্তমানে কেউ মারাত্মক চরম কোনও ডায়েট বা খাদ্যতালিকা অনুসরণ করে নিজেদের ডিএনএ পরিবর্তনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। যারা বায়ো হ্যাকিং করে তাদের বলা হয় সায়বর্গ

Untitled

ছবি: হাতের উপরপৃষ্ঠে বায়ো হ্যাকিং।

ব্রিটিশ এক নারী নিজের হাতে চামড়ার নিচে একটি বিশেষ চিপ বসিয়েছেন, যাতে শুধু হাত দিয়েই তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের গাড়ির লক খুলতে পারেন। সফল অপারেশনের পর ডাক্তার যখন তাকে বলছিলেন – এখন তুমি একজন সাইবর্গ বা বায়োহ্যাকার।

এই ধরনের অস্ত্রোপচারে ঝুঁকি থাকলেও বায়োহ্যাকিং কিন্তু ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

Untitled

ব্রিটিশ বায়োহ্যাকিং সার্জেন বলছিলেন – বায়োহ্যাকিংয়ের প্রতি মানুষের একটা আলাদা আকর্ষণ আছে। সেই আকর্ষণের টানে আরও বেশি বেশি মানুষ এখন এটা করাতে চাইছেন। তারা চাইছেন নিজেদের জীবনকে সাইবর্গের পর্যায়ে ‘আপগ্রেড’ করে নিতে।

এক বায়ো হ্যাকার এ সম্পর্কে বলেন – আমি সম্ভব হলে নিজের জীবনের সব প্রক্রিয়াকেই স্বয়ংক্রিয় করে নিতেন। আর এই বায়োহ্যাকিং সেই চেষ্টারই একটা অংশমাত্র।

পাঠকের মতামত