বগুড়ায় বাসে পেট্রলবোমা হামলায় যুবদলের ১০ নেতাকর্মীর নামে মামলা

বগুড়ার শাজাহানপুরের সাজাপুর এলাকায় ঢাকাগামী নাবিল ক্লাসিক নামে একটি চলন্ত বাসে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনায় যুবদলের ১০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার দুপুরের ওই ঘটনায় রাতে থানার এসআই রুম্মান হাসান এ মামলা করেন।

হামলার পরপরই পুলিশ ধাওয়া করে জেলা যুবদলে সহকৃষিবিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদকে আটক করে।

এছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন উপজেলার খরনা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, যুবদল নেতা মো. মুঞ্জু, আশেকপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আকরাম হোসেন, জেলা যুবদলের সহসম্পাদক সুলতান আহম্মেদ, জেলা যুবদল নেতা আজমল হুদা শহীদ, শাজাহানপুর উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন, মাঝিড়া ইউনিয়ন যুবদল কর্মী লোকমান, চোপিনগর যুবদল নেতা মজনু মিয়া ও শাহীন।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃত নুর মোহাম্মদকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নাবিল ক্লাসিকের একটি বাস বুধবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর এলাকায় পৌঁছলে ৮-১০ জন দুর্বৃত্ত প্রথমে বাসকে লক্ষ্য করে লাঠি নিক্ষেপ করে। এরপর মোটরসাইকেলে থাকা শাজাহানপুরের মাঝিরাপাড়া গ্রামের খাজা মিয়ার ছেলে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ একটি পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করলে সেটি বাসের মধ্যে গিয়ে পড়ে।

হামলার ঘটনায় যাত্রী নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী মনিরা বেগম (৪০) ও সদর উপজেলার মোজাম্মেল হকের স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম (৫০) আহত হন। চালক আসলাম হোসেন ও হেলপার শরিফ উদ্দিন আগুন নিভিয়ে ফেলেন। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। হামলার পরপরই টহল পুলিশ ধাওয়া করে যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে।

পাঠকের মতামত