রুপগন্জে খুন হওয়া ৩ জনের পরিচয় সনাক্ত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া তিন যুবকের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে কিভাবে তাদের হত্যা করা হয়েছে তার তথ্য এখন অজানা। মরদেহ উদ্ধারের সময়  একজনের পকেট থেকে ৬৫ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন, হলেন সোহাগ, শিমুল আজাদ ও নূর হোসেন বাবু। তিনজনই ব্যবসায়ী বলে নিশ্চিত করেছেন তাদের পরিবার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও নিহত শিমুলের মা গিয়ে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

শুক্রবার সকালে উপজেলার পূর্বাচল উপ-শহরের আলমপুরা এলাকার তিন নং সেক্টরের ১১নং ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত সোহাগ ঢাকার মহাখালীর নিকেতন বাজার এলাকার শহিবুল্লাহর ছেলে। এছাড়া শিমুল ঝিনাইদহ এলাকার আব্দুল মান্নানের এবং নূর হোসেন মুন্সিগঞ্জ জেলার টুঙ্গিবাড়ি থানার পাইকপাড়া এলাকার আ. ওহাবের ছেলে।

এদের মধ্যে শিমুল ও নূর হোসেন ঝুটের ব্যবসা এবং সোহাগ ডিস ক্যাবলের ব্যবসা করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ৩ নং সেক্টরের ১১নং ব্রিজের নিচে স্থানীয় লোকজন তিন যুবকের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মরদেহ উদ্ধারের সময় নূর হোসেনের পকেট থেকে ৬৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।

শিমুলের মা চায়না বেগম জানান, সোহাগ, শিমুল ও নূর হোসেন তিন বন্ধু। এদের মধ্যে শিমুল ও নূর হোসেন ঝুটের ব্যবসা করে ও আর সোহাগ ডিস ক্যাবলের ব্যবসা করে। সোহাগ ও নূর হোসেন মিলে বন্ধু শিমুল আজাদের বাড়িতে যায়।

গত বুধবার রাতে তিন বন্ধু শিমুলের বাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরছিল। রাত একটার দিকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাদের কথা হয়। এরপর থেকে তিনজনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। তারপরেও সন্ধান না পেয়ে ঢাকার বাস কাউন্টারে যোগাযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।

সেখানে যোগাযোগ করা হলে বাসের সুপারভাইজার জানায়, ঢাকা থেকে মাওয়া যাওয়ার পথে তিনজনকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। আজ পরিবারের লোকজন তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানায় গিয়ে তাদের পরিচয় শনাক্ত করেন।

পাঠকের মতামত