৪০ মন্ত্রণালয়ের কাছে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ৬৬৮ কোটি টাকা

সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩১ মে পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল বাবদ এক হাজার ৪৩৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা বকেয়া আছে বলে জানালেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এর মধ্যে ৪০ মন্ত্রণালয়ের কাছে বকেয়া ৬৬৮ কোটি টাকা। আর আধা-সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাছে ৭৬৬ কোটি টাকা বকেয়া আছে বলেও জানান তিনি।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বাবুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রীর তথ্যানুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়া অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বকেয়া ৫২ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ৪৬ কোটি টাকা, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ৪৪ কোটি টাকা,  স্থানীয় সরকার বিভাগের ৩৬ কোটি টাকা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে ২৪ কোটি টাকা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২০ কোটি টাকা, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ২২ কোটি টাকা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২১ কোটি টাকা, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ১৬ কোটি টাকা, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আট কোটি টাকা, নির্বাচন কমিশনের আট কোটি টাকা, অর্থ বিভাগের বকেয়া ১০ কোটি টাকা, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিন কোটি টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ছয় কোটি টাকা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১১ কোটি টাকা। আর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয় মন্ত্রণালয়ে বকেয়া পাওনা আছে দুই কোটি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে  কোটি, বাংলাদেশ  শিপিং কর্পোরেশনে দুই কোটি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চার কোটি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুই কোটি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চার কোটি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চার কোটি। এদিকে  বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে পাওনা, ৬০ লাখ টাকা।

ভূমি মন্ত্রণালয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়া পাওনা, আট কোটি, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ৯ কোটি, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে সাত কোটি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ১৩ কোটি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ১২ কোটি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে ১২ কোটি ও  পরিকল্পনা কমিশনের বকেয়া ১১ কোটি টাকা। এছাড়া আরো প্রায় দুই কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে।

পাঠকের মতামত