ক্রোয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করলো স্পেন

বিশ্বকাপের রানার্সআপ দল ক্রোয়েশিয়া। আর প্রতিপক্ষ স্পেন, যারা কিনা দ্বিতীয় রাউন্ডে রাশিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে পাশার দানই যেন পাল্টে গেল। কিছুদিন আগে নিজেদের ফুটবল নিয়ে ধুঁকতে থাকা স্পেন ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বিশ্বকাপ ফাইনালিস্টদের।

প্রথম থেকেই  ইভান রাকিতিচের শততম ম্যাচের উদযাপনও নিয়ে চলছিল মাতামাতি। কিন্ত ৬ গোল খেয়ে যেন মাটিতে নেমে এলেন রাকিতিচ।

উয়েফা নেশনস লিগে এটি ছিল স্পেনের দ্বিতীয় ম্যাচ। ‘এ’ লিগের গ্রুপ-৪-এর আগের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হারিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল লুই এনরিকের দল। এবার দ্বিতীয় ম্যাচেও জিতে গ্রুপে অবস্থান সুসংহত করল তারা।

বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা ছয় খেলোয়াড়কে মাঠে নামায় ক্রোয়েশিয়া। যাদের মাঝে ছিলেন বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জেতা লুকা মডরিচও। কিন্তু প্রতিপক্ষ যে নতুন কোচ লুই এনরিকের অধীনে বদলে যাওয়া এক দল। শুরু থেকেই আক্রমণে উঠে আসে স্বাগতিকরা।

তবে ম্যাচে প্রথম সহজ সুযোগটি পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। ১৪ মিনিটে ইভান সান্তিনি লক্ষ্যে শট রাখতে পারলে এগিয়ে যেতে পারত ক্রোয়াটরা। ১৭ মিনিটে দানি কারভাহাল আটকে দেন ইভান পেরিসিচের শট। তবে ২৪ মিনিটে ভুল করেননি সাউল নিগেজ। দানি কারভাহালের ক্রসে দারুণ এক হেডে লক্ষ্যভেদ করেন নিগেজ।

৩৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মার্কো অ্যাসেনসিও। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ান এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ৩৫ মিনিটে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে স্পেনকে আরেক গোল উপহার দেন লভরে কালিনিচ। অবশ্য এক্ষেত্রে কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষক কালিনিচের। ডি-বক্সের বাইরে থেকে অ্যাসেনসিওর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসার সময় তার পিঠে লেগে আবারো জালে জড়ায়। বিরতির আগে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি স্পের্নর্।

দ্বিতীয়ার্ধে চার মিনিটের সময় ৪-০ করেন রদ্রিগো মোরেনো। অ্যাসেনসিওর থ্রু বল ধরে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ৫৭ মিনিটে গোলের খাতায় নিজের নাম যোগ করেন অধিনায়ক সার্জিও রামোস। কর্নার থেকে আসা বল হেডে জালের ঠিকানা দেখান এই ডিফেন্ডার।

ঘরের মাঠে এমন লজ্জার হার হবে ভাবতে পারিনি ক্রোয়েশিয়া।

পাঠকের মতামত