ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনের পদত্যাগ

ব্রেক্সিট ইস্যুতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন পদত্যাগ করেছেন। ব্রেক্সিট সেক্রেটারি ডেভিড ডেভিস পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টা পর মন্ত্রিসভা দ্বিতীয় সিনিয়র সদস্য হিসেবে পদত্যাগ করলেন জনসন। খবর বিবিসির।

আর কিছুক্ষণ পর পার্লামেন্টে নিজের নতুন ব্রেক্সিট পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। কিন্তু এর আধ ঘণ্টা আগে মন্ত্রিসভার থেকে সরে দাঁড়ালেন জনসন। এদিকে থেরেসা মের নতুন পরিকল্পনায় সরকার দলীয় এমপিদের মধ্যে ইতোমধ্যেই বেশ ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর অফিস তার অবদানের জন্য জনসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে এবং একইসঙ্গে কিছুক্ষণের মধ্যেই নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিবিসির রাজনৈতিক সম্পাদক লরা কুয়েন্সবার্গ বলেছেন, জনসনের এই পদত্যাগে ‘বিব্রতকর ও কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী।’ তিনি বলছেন, জনসন কোনও সাধারণ মন্ত্রী ছিলেন না। কেননা ২০১৬ সালের ২৩ জুন ব্রেক্সিট প্রশ্নে গণভোটের ‘মুখচ্ছবি ছিলেন জনসন। তাই তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

পাঠকের মতামত