উরুগুয়েকে হারিয়ে শেষ চারে ফ্রান্স

নিজনি নভগোরোদ স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথম কোয়ার্টার-ফাইনালে ২-০ গোলে জিতেছে দিদিয়ের দেশমের দল। রাফায়েল ভারানের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়া ফ্রান্স দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ায় অঁতোয়ান গ্রিজমানের গোলে।

ম্যাচের প্রথম ভালো সুযোগটা পেয়েছিল উরুগুয়ে। চতুর্দশ মিনিটে কর্নার থেকে হোসে হিমিনেসের হেডে নামানো বলে ক্রিস্তিয়ান স্তুয়ানি পা ছোঁয়ানোর আগেই বিপদমুক্ত করেন লরিস। পরের মিনিটে অপরপ্রান্তে ডি-বক্সে অরক্ষিত অবস্থায় থাকা এমবাপে হেডে ক্রসবারের উপর বল পাঠিয়ে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।

৪০তম মিনিটে লক্ষ্যে থাকা প্রথম প্রচেষ্টাতেই গোল পায় ফ্রান্স। গ্রিজমানের মাপা ফ্রি-কিকে ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানের হেডে পোস্ট ঘেঁষে বল জালে জড়ায়।

চার মিনিট পর সমতা ফেরানোর খুব কাছে চলে গিয়েছিল উরুগুয়ে। ফ্রান্সকে বাঁচায় লরিসের দুর্দান্ত সেভ। সেটপিস থেকে লাফিয়ে ডিফেন্ডার মার্তিন কাসেরেসের হেড ডানে পুরো ঝাঁপিয়ে ঠেকান ফরাসি গোলরক্ষক। খুব কাছ থেকে দিয়েগো গদিনের ফিরতি শট অনেকে উপর দিয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোলের জন্য মরিয়া উরুগুয়ে উল্টো আরও পিছিয়ে পড়ে মুসলেরার মারাত্মক ভুলে। ৬১তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে গ্রিজমানের শট আয়ত্তে না নিয়ে ফেরাতে চেয়েছিলেন তিনি; বল আঙুল গলে গোললাইন পেরিয়ে যায়।

বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে এই নিয়ে ছয় নকআউট ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড গ্রিজমান করলেন সাত গোল।

অনুজ্জ্বল এমবাপে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ান অহেতুক ভান করে। ক্রিস্তিয়ান রদ্রিগেসের হালকা ছোঁয়া লেগেছিল, তাতেই মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি খেয়ে গদিনদের খেপিয়ে দেন পিএসজির তরুণ এই ফরোয়ার্ড। খেলোয়াড়দের বিবাদ থামিয়ে রেফারি হলুদ কার্ড দেখান এমবাপে আর রদ্রিগেসকে।

এরপর চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পায়নি অস্কার তাবারেসের দল।

এই নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠলো ফ্রান্স। সেখানে প্রতিপক্ষ ব্রাজিল আর বেলজিয়ামের মধ্যে জয়ী দল।

পাঠকের মতামত