শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর এসডিজির মূলভিত্তি হবে: মোস্তাফা জব্বার

এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর অপরিহার্য। ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে সৃষ্ট মেধাকে বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারলে ২০৩০ সাল নাগাদ এগুলোই এসডিজির মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

৫ জুলাই, বৃহস্পতিবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গভর্নমেন্ট ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) এবং পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনৈতিক বিভাগ (জিইডি) আয়োজিত এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের প্যারালাল সেশন-২-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে এ টু আই প্রোগ্রামের পলিসি এডভাইজার আনিস চৌধুরী বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ডিজিটাল কানেকটিভিটি দরকার। আগামী ৩ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি মানুষ ডিজিটাল কানেকটিভিটির আওতায় আসবে। তিনি মেধা বাণিজ্যিকীকরণে মেধাসত্ব অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

প্যারালাল সেশন-২ অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ে পর্যালোচনা হয়। তথ্য সচিব আবদুল মালেক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার এবং আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মামুনুর রশীদ নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন অধিদপ্তর ও সংস্থার এসডিজি বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন এবং এসডিজি বাস্তবায়নে মতামত প্রদান করেন। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগ ও অধীনস্থ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

প্রধান তথ্য অফিসার কামরুন নাহারসহ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাসমূহের প্রধানগণসহ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে বিস্ময়কর অগ্রগতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে ৪২তম অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশের কাতারে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। তার এই নেতৃত্ব অব্যহত থাকলে বাংলাদেশ ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২০টি উন্নত দেশের কাতারে সামিল হবে।’

পাঠকের মতামত