ইতিহাসে যত ব্যর্থ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ | বিডি৩৬০নিউজ

ইতিহাসে যত ব্যর্থ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

বহুকাল আগে থেকেই মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেণ চলছে, এটা নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। এর মধ্যে যেমন সফল উৎক্ষেপণ রয়েছে, তেমনি আছে ব্যর্থ উৎক্ষেপণেরও নজির।

সবশেষ ২০১৭ সালের ২৮ নভেম্বর রকেটের মাধ্যমে মহাকাশে যাত্রা করে রাশিয়ার আবহাওয়া স্যাটেলাইট ‘মিটিওর-এম’। কিন্তু ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই মহাকাশযানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পড়ে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে গাওফেন-১০ নামের একটি স্যাটেলাইটকে এর নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রবেশ করাতে ব্যর্থ হয় চীন।

২০১০ সালের জুনে মহাকাশে স্যাটেলাইট স্থাপনের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি রকেট বিস্ফোরিত হয়। উৎক্ষেপণের দুই মিনিট ১৭ সেকেন্ড পর ভূ-কেন্দ্র থেকে এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এবার বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট ওড়ানোর তালিকায় নাম উঠানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। সফলভাবেই এর উড্ডয়নের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ১০ মে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ১০ মে, দিনগত রাত ২টা ১৫ মিনিটে) ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোর কেপ কেনেডি সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে মহাকাশে উড়বে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১।

এটাকে মহাকাশে নিয়ে যাবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেটের সর্বশেষ সংস্করণ ব্লক-৫। এর মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হবে। স্পেসএক্স’র ফ্যালকন ৯ রকেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা নাসা। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো প্রথম রকেটের ক্রেতাও ছিল নাসা। এরপর টানা ৩টি মিশনে যায় ফ্যালকন ৯।

লুক্সেমবার্গের এসইএস প্রথম স্পেসএক্সের  হয়ে অপারেট করা শুরু করে। ২০১৩ সালের সাফল্যের পর গত বছরও স্পেসএক্সকে সমর্থন দেয় এসইএস। বৃহস্পতিবার স্পেসএক্স’র সবচেয়ে আধুনিক রকেট ফ্যালকন-৯ ব্লক-৫ ব্যবহার করে মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।

এই রকেটটি নাসা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরের সবক’টি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হর্য়েছে। প্রথমবারের মতোই ১০টি ফ্লাইট করতে পারে রকেটটি। আগের রকেটগুলো মাত্র ২ থেকে ৩টি উড্ডয়নে সক্ষম ছিল। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, স্পেস নিউজ।

পাঠকের মতামত