গ্রেফতার জামায়াতের আমিরসহ ১০ নেতাকে রিমান্ডে

রাজশাহীতে গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমিরসহ ১০ নেতাকে জিজ্ঞাবাসাদের জন্য একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মাহাবুবুর রহমান তাদের রিমান্ডে পাঠান। সোমবার সকালে রাজশাহীর হেতেমখাঁ এলাকার একটি বাড়িতে বৈঠক করার সময় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

এরা হলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, রাজশাহী জেলা (পূর্ব) আমির রেজাউর রহমান, জেলা (পশ্চিম) আমির আবদুল খালেক, মহানগর আমির ড. আবুল হাশেম, সেক্রেটারী সিদ্দিক হোসাইন, নগর জামায়াতের রোকন মজিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আমির আবুজার গিফারী, রোকন রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী জেলা (পূর্ব) জামায়াতের রোকন ময়নুল হোসেন এবং গোদাগাড়ী থানা জামায়াতের রোকন তৈয়ব আলী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক রাশিদুল ইসলাম জানান, সোমবার আদালতে আসামিদের প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। তবে ওই দিন আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য পরেদিন ধার্য করেন। মঙ্গলবার শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে আদালত থেকে আদালত থেকে তাদের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাশিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে নগরীর হেতেমখাঁ ছোট মসজিদ এলাকায় মহানগর জামায়াতের রোকন মুজিবর রহমানের বাড়ি থেকে এই ১০ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মহানগর ডিবি ও বোয়ালিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। নগরের মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাসির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা এ মামলায় অভিযোগ আনা হয়- নাশকতার পরিকল্পনা করার উদ্দেশ্যে এই ১০ জামায়াত নেতা গোপনে বৈঠক করছিলেন।

পরিদর্শক রাশিদুল ইসলাম জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত নেতারা জানিয়েছিলেন- আগামী সিটি নির্বাচনকে ঘিরে তারা দলীয় সভা করছিলেন। তবে এর বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনা চলছিল কি না তা তাদের এই একদিনের রিমান্ডের সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পাঠকের মতামত