সুয়ারেজের হ্যাটট্রিক, মেসির জোড়া গোলে উড়ে গেল জিরোনা

দারুণ ফর্মে থাকা বার্সেলোনার সামনে দাঁড়াতে পারল না পুচকে জিরোনা। মেসি-সুয়ারেজদের দাপটে ক্যাম্প ন্যুয়ে উড়ে গেছে দলটি।

ঘরের মাঠে বার্সেলোনা ৬-১ গোলে হারিয়েছে জিরোনাকে। প্রথমবারের মতো মেসিদের আতিথেয়তা নিয়েছিল জিরোনা। প্রতিপক্ষকে ‘পেট ভরে’ গোল হজম করিয়েছে কাতালানরা। গোল উৎসবের ম্যাচে লুইস সুয়ারেজ হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেয়েছেন। সুপারস্টার মেসি পেয়েছেন জোড়া গোল। ফিলিপ কুতিনহোর পা ছুঁয়ে আসে আরেকটি গোল। সব মিলিয়ে লা লিগায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটি নিজেদের জায়গা আরও শক্ত করল শনিবার রাতে।

তবে ম্যাচের শুরুতে বার্সেলোনা সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেয় জিরোনা। ৩ মিনিটে পোর্তু গোল করে দলকে লিড এনে দেন। কিছু বুঝে উঠার আগে গোল হজম করায় বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা হয়ে উঠেন আক্রমণাত্মক। ফল পেতে সময় নেয়নি কাতালানরা। পঞ্চম মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান সুয়ারেজ। মেসির বাড়ানো পাস থেকে বামপাশ থেকে ডিবক্সের ভিতরে ঢুকে শট নেন সুয়ারেজ।


এরপর ম্যাচের ৩০ ও ৩৬ মিনিটে জোড়া গোল করেন মেসি। প্রথম গোলের  অ্যাসিস্টে ছিলেন সুয়ারেজ। তার বাড়ানো পাস থেকে বল নিয়ে ডি বক্সের ভিতরে ঢুকে জায়গা করে শট নেন মেসি। তাতেই জাল খুঁজে পান আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ৬ মিনিট পর ফ্রি কিক থেকে গোল করেন মেসি। দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা জিরোনার খেলোয়াড়দের পায়ের নিচ দিয়ে বল মেরে জালে পাঠান।

প্রথমার্ধের শেষ সময়ে মেসি ও কুতিনহোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডি বক্সের ভিতরে বল পান সুয়ারেজ। দলকে বিরতির আগে চতুর্থ গোলের স্বাদ দিতে ভুল করেননি সুয়ারেজ। বিরতির আগে যেখানে রেখে দিয়েছিলেন বিরতির পর  ঠিক সেখান থেকে শুরু করেন উরুগুয়ের তারকা। ৫৪ মিনিটে তার জোড়ালো শট বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে।

হ্যাটট্রিকের সুযোগ তখন নষ্ট হলেও ৭৬ মিনিটে ঠিকই ভাগ্যকে পাশে পায় সুয়ারেজ। ডেম্বেলের ক্রস থেকে বল পেয়ে জিরোনার জালে পাঠান এই স্ট্রাইকার। মাঝে ৬৬ মিনিটে কুতিনহো গোলের দেখা পান । প্রায় ২২ গজ দূর থেকে শট নেন ব্রাজিলিয়ান এ মিডফিল্ডার। হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল মেসিরও। কিন্তু জিরোনার গোলরক্ষকের দক্ষতায় সেই স্বাদ পাওয়া হয়নি।

২৫ ম্যাচে ২০ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬৫।

পাঠকের মতামত