বাংলাদেশের অসহায় আত্মসমর্পণ

সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিন ৩৩৯ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১২৩ রান করে অসহায় আত্মসমর্পণ করে স্বাগতিকরা। রঙ্গনা হেরাথ ও অভিষিক্ত আকিলা ধনাঞ্জয়ার স্পিন বিষে শেষ ২৩ রানেই ৬ উইকেট হারায় দলটি। ২১৫ রানের পরাজয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০তে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা ২২২ ও ২২৬
বাংলাদেশ ১১০ ও ১২৩

ম্যাচ বাঁচাতে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ২ রানে থাকা তামিম ইকবালকে নিজের শিকার বানান শ্রীলঙ্কান স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরা। এলবির ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়েন তামিম। পরে দলীয় ৪৯ রানে বিদায় নেন আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েস (১৭)। তাকে আউট করেন রঙ্গনা হেরাথ।

মধ্যাহ্ন ভোজ থেকে ফিরেই মূলত লঙ্কান স্পিনারদের তাণ্ডব শুরু হয়। দলীয় ৬৪ রানে ব্যক্তিগত ৩৩ রান করা মুমিনুলকে হেরাথ নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান। পরে ব্যক্তিগত ১২ রানে লিটন দাশকে ফিরিয়ে দেন ধনাঞ্জয়া । আর অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা মাহমুদউল্লাহও (৬) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ধনাঞ্জয়ার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন।

 হেরাথের তৃতীয় শিকারে মুশফিকুর রহিম ব্যক্তিগত ২৫ রানে স্টাম্পিং হন। পরে সাব্বিরকে (১) তুলে নেন ধনাঞ্জয়া। একই ওভারে ধনাঞ্জয়া আব্দুর রাজ্জাককে (২) স্টাম্পিং করেন। মেহেদি হাসানকে বিদায় করে অভিষেক টেস্টেই ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন ধনাঞ্জয়া। পরে হেরাথ তাইজুলকে (৬) নিজের চতুর্থ শিকার বানিয়ে বাংলাদেশের ইতি টানেন।

এর আগে প্রথম সেশনেই শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসের শেষ দুটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নেমে শেষ দুই উইকেটে আরও ২৬ রান যোগ করে লঙ্কানরা। যেখানে দলীয় ২২৬ রানে সবকটি উইকেট হারায় সফরকারীরা। তবে তাইজুল ইসলামের পর পর দুই বলে ফিরে যান ২১ রান করা সুরাঙ্গা লাকমাল ও শূন্য রানে থাকা রঙ্গনা হেরাথ। ৭০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন রোশেন সিলভা। তাইজুল সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন।

এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানরা ৮ উইকেটে ২০০ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিন শেষ করে। দলের হাল ধরে

পাঠকের মতামত