কঙ্গোতে বন্যা ও পাহাড় ধসে ৪৫ জনের মৃত্যু

কঙ্গোতে এক সপ্তাহেরও অধিক সময় ধরে টানা বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় কমপক্ষে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহারা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় রেড ক্রস।

এ ব্যাপারে কঙ্গো সরকারের দাবি, অপরিকল্পিত ও অননুমোদিত বসতি স্থাপনের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা থেকে এ বন্যা হয়েছে। নিহতদের স্মরণে দেশটিতে দুইদিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে চলমান কলেরা মহামারির মধ্যে এ দুর্যোগ যোগ হওয়ার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। তাদের মতে, গত ২০ বছরে কঙ্গোতে এটিই সবচেয়ে বড় বিপর্যয়।

উল্লেখ্য, কঙ্গোর ২৬টি প্রদেশের ২৪টিতেই গত জুলাই মাস মহামারী আকারে কলেরা ছড়িয়ে পড়ে। এতে এখন পর্যন্ত ১১৯০ জন মারা গেছে সেখানে। ডক্টর্স উইদাউট বর্ডার জানিয়েছে, বন্যার পরে বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব, ঘনবসতি এবং অনুন্নত স্যানিটেশনের কারণে কলেরা আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে।

পাঠকের মতামত